1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৪ মিলিয়ন কেজি - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৪ মিলিয়ন কেজি - ebarta24.com
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৪ মিলিয়ন কেজি

নাজিম আজাদ
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১

বছর শেষে গত বছরের চেয়ে চা উৎপাদন ১০ মিলিয়ন কেজি বেশি হবে বলে ধারণা করছেন চা বোর্ড এবং চা বাগান মালিকরা। নভেল করোনাভাইরাসের ধাক্কা কাটিয়ে বাড়তে শুরু করেছে চায়ের উৎপাদন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন কেজি।

চা বোর্ড এবং চা বাগান মালিকরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় চায়ের উৎপাদন তুলনামূলক ভালো হয়েছে। বছর শেষে গত বছরের চেয়ে চা উৎপাদন ১০ মিলিয়ন কেজি বেশি হবে বলে ধারণা করছেন তারা। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২১ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ৭৭ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন কেজি। জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত চা উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩৮ দশমিক ৩১ মিলিয়ন কেজি। ৭ মাসে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৫১ ভাগ চা উৎপাদন হয়েছে।

২০২০ সালের একই সময়ে চা উৎপাদন হয়েছিলো ৩৩ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন কেজি। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে চা উৎপাদন বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন কেজি।

চট্টগ্রাম, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ও পঞ্চগড় সহ সারাদেশে চা বাগান রয়েছে ১৬৭টি। এছাড়া উত্তরবঙ্গ এবং বান্দারবানে চা চাষের সাথে সম্পৃক্ত আছে আরো ৫ হাজার ক্ষুদ্র চাষী। সারা বাংলাদেশে এই খাতে মোট ৩ লক্ষাধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম বলেন, গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রচন্ড খরার কারণে চায়ের উৎপাদন মারাত্বকভাবে ব্যাহত হয়। এরপর উৎপাদন মোটামুটি স্বাভাবিক হলেও সেপ্টেম্বর মাসে অতিবৃষ্টির কারণে আবারো ব্যাহত হয় উৎপাদন। এছাড়া করোনার নেতিবাচক প্রভাবও ছিলো চা উৎপাদনে। তবে এবার সেই পরিস্থিতি নেই। আবহাওয়া অনকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় উৎপাদন বাড়ছে।

চা বাগান মালিকরা জানিয়েছেন, গত বছর করোনার লকডাউন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় চায়ের চাহিদা কমে যায়। আর্থিক সংকটে পড়ে বাগান মালিকরা। গত বছরের এপ্রিল থেকে চা বাগান মালিকদের ওয়্যার হাউসে জমতে থাকে উৎপাদিত চা। তাছাড়া ২০১৯ সালে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হওয়ায় সে চাও অবিক্রিত থেকে যায় বাগান মালিকদের কাছে। নিলামে বাগান মালিকরা চায়ের উৎপাদন মূল্যের চেয়েও কম দামে চা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছে। ফলে চরম মূলধন সংকটে পড়তে হয়েছে তাদের। ঐ সময়ে বাগান মালিকরা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে আর্থিক সংকটে পড়ে। বাগান রক্ষণাবেক্ষণ সঠিকভাবে করতে না পারার কারণেও উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিলো।

চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে চা উৎপাদন হয়েছিলো ৯৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন কেজি। কিন্তু করোনার প্রভাব, খরা, অতিবৃষ্টি এবং পোকার আক্রমণ সহ নানা কারণে ২০২০ সালে চায়ের উৎপাদন কমে যায়। ২০২০ সালে চায়ের উৎপাদন হয়েছিলো ৮৬ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন কেজি। ২০২১ সালে এসে আবারো বাড়তে শুরু করেছে চায়ের উৎপাদন।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021