বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
প্রাথমিকের সব শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে: জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয় জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যাবে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা চিঠি ঢাবির শতবর্ষ উপলক্ষে আজ আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী চাকরিচ্যুত প্রবাসীদের জন্য সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে : প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ: প্রধানমন্ত্রী টিকা রাখা হচ্ছে তেজগাঁওয়ের ইপিআই স্টোর ভারতের উপহারের টিকা এখন দেশের মাটিতে। “বিএনপিকে টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে” শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন : প্রধানমন্ত্রী

আগামী বছর আবার খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

সংসদ থেকে: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ দেশে খাদ্য ঘাটতি না থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ঘাটতি পূরণে চাল আমদানিতে দেশের কৃষকের কোন স্বার্থহানি ঘটবে না। গতকাল সংসদে জাতীয় পার্টির নূরুল ইসলাম মিলনের ৭১ বিধিতে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। গত বছর বাংলাদেশ ২ লাখ মেট্রিক টন চাল রপ্তানিও করেছিল। কিন্তু চলতি বছর বন্যায় হাওর এলাকায় ব্যাপক ফসলহানির কারণে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ঘাটতি পূরণে সরকার খাদ্য আমদানি যথাসময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশে ৬ লাখ ৬১ হাজার টন চাল মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টন চাল গুদামে মজুদ রয়েছে। আর ১ লাখ ১৪ হাজার টন চাল জাহাজে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে দেশে এখন আর খাদ্য ঘাটতি নেই।

তিনি আরও বলেন, খাদ্য ঘাটতি মেটাতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে আমদানি খাতে চাল ও গমের ওপর নির্ধারিত ২৮ শতাংশ ট্যারিফ হ্রাস করে প্রথমে ১০ শতাংশ এবং পরে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। ফলে ব্যক্তি পর্যায়েও চাল-গম আমদানি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, এই ট্যারিফ হ্রাস আপতকালীন পদক্ষেপ। এ সময় উত্তীর্ণ হলে কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ট্যারিফ আরোপ করা হবে।

তিনি করেন, আগামী বছর ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। দেশে আর খাদ্য ঘাটতি থাকবে না। আবার খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হবে।
তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারিভাবে ৯ লাখ টন চাল ও ৩ লাখ গম মোট ১২ লাখ টন খাদ্য আমদানির সংস্থান রাখা হয়েছিল। কিন্তু ঘাটতির কারণে বর্তমানে ১৫ লাখ টন চাল ও ৫ লাখ টন গম মোট ২০ লাখ টন খাদ্য আমদানি করা হচ্ছে।


আরও সংবাদ