1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
২৩শে সেপ্টেম্বর ১৯৮১ : তের জন মুক্তিযোদ্ধা অফিসারের ফাঁসি - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
২৩শে সেপ্টেম্বর ১৯৮১ : তের জন মুক্তিযোদ্ধা অফিসারের ফাঁসি - ebarta24.com
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০২:১৫ অপরাহ্ন

২৩শে সেপ্টেম্বর ১৯৮১ : তের জন মুক্তিযোদ্ধা অফিসারের ফাঁসি

ইবার্তা সম্পাদনা পর্ষদ
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

২৩শে সেপ্টেম্বর ১৯৮১, জেনারেল জিয়া হত্যার কথিত অভিযোগে অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসারদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরের দিন। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্রগ্রাম সার্কিট হাউজে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে হত্যার কথিত অভিযোগে সামরিক আদালত গোপন ও সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে যে ১৩ জন সামরিক অফিসারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে-তাঁদের মধ্যে ১২ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল দেশের বিভিন্ন কারাগারে ১৯৮১ সালেরই ২৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতের পর।

মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ১৩ জনের মধ্যে একজন লেঃ কর্নেল শাহ্‌ মোহাম্মদ ফজলে হোসেন ঐ দিনের ঘটনায় গুরুতর আহত থাকায়- তিনি পরিপূর্ণভাবে সুস্থ হওয়ার পর ১৯৮৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

মেজর জেনারেল আবদুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সামরিক আদালতের ১৮ কার্যদিবসের বিচার কাজে যে ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছিল, তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। চট্রগ্রাম জেলের অভ্যন্তরে স্থাপিত এই সামরিক আদালতে বিচার কাজ শুরু হয় ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই এবং শেষ হয় ২৮ জুলাই। দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয় ১৯৮১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মধ্য রাতের পর। ফাঁসি কার্যকর করা সর্বকনিষ্ঠ অফিসার লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ রফিকুল হাসান খানের বয়স ছিল তখন মাত্র ২৩ বছর!

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ১৩ সামরিক অফিসাররা হলেনঃ

১। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহসীন উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম।
২। কর্নেল নওয়াজেস উদ্দিন
৩। কর্নেল এম আবদুর রশীদ, বীর প্রতীক।
৪। কর্নেল মাহফুজুর রহমান, বীর বিক্রম।
৫। লেঃ কর্নেল এম দেলওয়ার হোসেন, বীর প্রতীক।
৬। লেঃ কর্নেল শাহ্‌ মোহাম্মদ ফজলে হোসেন ( অসুস্থতাজনিত কারণে ১৯৮৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়)
৭। মেজর এ জেড গিয়াসুদ্দিন আহমেদ
৮। মেজর রওশন ইয়াজদানী ভূঁইয়া, বীর প্রতীক।
৯। মেজর কাজী মমিনুল হক
১০। মেজর এম মজিবুর রহমান
১১। ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার
১২। ক্যাপ্টেন জামিল হক
১৩। লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ রফিকুল হাসান খান

এসকল হত্যাকাণ্ডের কুশীলব ছিলেন জেনারেল এরশাদ। ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাত্তারকে অনুরোধ করতে চেয়েছিলেন যাতে তিনি এই সামরিক অফিসারদের মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকরের সম্মতি না দেয়। গুলিস্তানের মোড় থেকে পুলিশ লাঠিচার্জ করে টিয়ারগ্যাস মেরে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হটিয়ে দেয়। তারপর রাষ্ট্রপতি সাত্তার এই সকল সামরিক অফিসারদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার চুড়ান্ত সাক্ষর করে। তার পরপরই তাদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।

১৯৮২ সালের ২৪ শে মার্চ জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করার পর, মেজর জেনারেল আবদুর রহমান ‘ক’ অঞ্চলের (ঢাকা) সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হয়। ১৯৮৩’র শেষ দিকে মতান্তরে ১৯৮৪’র প্রথম ভাগে নারায়নগঞ্জ থেকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন শেষে ঢাকা ফেরার পথে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয় মেজর জেনারেল আবদুর রহমান। সে যাত্রায় বেঁচে যায়, কিন্তু তাঁর এডিসি তরুণ সামরিক কর্মকর্তা মেজর কামাল ( দৈনিক ইত্তেফাকের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক আসাফউদ্দৌলার মেয়ের জামাই) নিহত হয়।

পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালের শেষ দিকে জেনারেল এরশাদ, মেজর জেনারেল আবদুর রহমানের চাকুরী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যাস্ত করে তাকে ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে এবং সেখানে যোগদানের কিছুদিন পর ৮৮/৮৯ সালের কোন একসময়ে ফ্রান্সেই তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু হয়, তাঁর মৃত্যুর সঠিক কোন কারণ জানা যায়নি।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021