মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
৫০০ গৃহকর্মী ও ৮১ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৭ মে – শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার দিবস যে যেখানে আছে সেখানেই ঈদ : ‘নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগরের দেয়ালগুলো যেভাবে রঙিন হলো সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনায় গ্রেফতার ২ : নেপথ্যে হেফাজত অনিয়মের বিরুদ্ধে সাবধান করলেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আল্টিমেটামের পরেই হেফাজতের তাণ্ডব সারদেশে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন শ্রমিক, ইমাম, ভ্যানচলক : আশ্রয়হীদের জন্য সরকারি ঘর উগ্রতার দায়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট বিচ্ছেদের আগেই সম্পত্তি ভাগাভাগির চুক্তি !

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১১৯.৭৭ মিলিয়ন ডলার তহবিলের আবেদন আইওএম’র

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৭

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) অর্থাৎ আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়গ্রহণকারী নতুন করে আগত ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগণকে সাহায্যের প্রয়োজনে ১১৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আবেদন জানিয়েছে।
মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ সহিংসতার কারণে ২৫ আগস্ট থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। যার ফলে প্রচন্ড মানবিক সংকট দেখা দেয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা (আইওএম) বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রথম দিকে আগত রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই পালিয়ে আসার সময় শূন্যহাতে বা সামান্য কিছু নিয়ে এসেছে। এমন সংখ্যা তিন লাখেরও বেশি বলে হিসাব মিলেছে।

বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের অভিবাসী সংস্থা ইন্টার সেক্টর কোঅর্ডিনেশন গ্রুপ হিসেবে রোহিঙ্গাদের মানবিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের কাজ করছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতিসংঘ মানবিক সাহায্যের ব্যাপক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বর ২০১৭ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত আইওএম’র ফান্ডের চাহিদার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই আবেদন করা হয়েছে।

সর্বশেষ পালিয়ে আসা শরণার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে আইওএম কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গাকে মানবিক সাহায্যে সমন্বয় করেছে। তাদেরকে অব্যাহত সহায়তা করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা জনগণকেও তারা সহযোগিতা দিচ্ছে।
আইওএম কক্সবাজারে সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গার বাসস্থানের উন্নয়নের কাজও করে যাচ্ছে।


আরও সংবাদ