1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
সময়ের আগেই শেষ বঙ্গবন্ধু টানেলের সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
সময়ের আগেই শেষ বঙ্গবন্ধু টানেলের সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ - ebarta24.com
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

সময়ের আগেই শেষ বঙ্গবন্ধু টানেলের সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দ্বিতীয় সুড়ঙ্গ বা টিউবের খননকাজ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ কাজ সম্পন্ন হয়। এটি খনন করতে সময় লেগেছে ১০ মাস। এর মধ্যে দিয়ে টানেলের দুটি সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শেষ করেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, ‘সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী টানেল প্রকল্পের কাজ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে ৭৩ শতাংশ। পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পয়েন্টে প্রথম সুড়ঙ্গ খননের কাজ সম্পন্ন করেছি ২০২০ সালের ২ আগস্ট। আনোয়ারা থেকে পতেঙ্গা পয়েন্টে দ্বিতীয় সুড়ঙ্গটির খননকাজ শুরু করি ১২ ডিসেম্বর। এটি শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। এ দুটি সুড়ঙ্গ খননই ছিল টানেলের মূল চ্যালেঞ্জ। আনুসাঙ্গিক অন্যান্য কাজে চ্যালেঞ্জ অনেক কম।’

তিনি আরো জানান, বাজেটসহ টানেলের বিভিন্ন প্রয়োজন সরকার মিটিয়েছে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে। এ জন্য নির্ধারিত সময়ের আগেই টানেলের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী তারা। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে টানেলের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

প্রকল্প পরিচালক জানান, করোনাকালে এক দিনের জন্যও বন্ধ হয়নি টানেল নির্মাণের কাজ। বিদেশি প্রকৌশলীদের অনেকে দেশে ফিরে গেলেও বিকল্পভাবে কাজ এগিয়ে রেখেছেন তারা। এ জন্য সব কিছু হয়েছে পরিকল্পনা মতো। সুড়ঙ্গ খননে অত্যাধুনিক বোরিং মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে। তাই ঘটেনি কোনো দুর্ঘটনাও।

উল্লেখ্য কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরতায় দুটি সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি সুড়ঙ্গ ৩৫ ফুট প্রশস্ত ও ১৬ ফুট উচ্চতার। কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। তবে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার।

প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্য বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে চার হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। বাকি পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিচ্ছে চীন সরকার।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021