শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ : বিশ্ব সভায় বাংলা ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন ফ্রন্টিয়ার, ইমার্জিং ও ডেভেলপড মার্কেট রিটার্নে সবার ওপরে বাংলাদেশ মুজিববর্ষে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা হাসি ফিরেছে পাট চাষিদের মুখে

সাংবাদিক উৎপলকে পাওয়া যায়নি

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৭

অনলাইন পোর্টাল পূর্ব পশ্চিম নিউজের নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধানে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তল্লাশি চালানো হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন- এমন সংবাদে রোববার সন্ধ্যায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে রাতে মির্জাপুর থানার ওসি মিজানুল হক সমকালকে বলেন, হাসপাতালে তল্লাশি চালানো হয়েছে। সাংবাদিক উৎপলকে কোথাও পাওয়া যায়নি।

মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল পোদ্দার জানিয়েছেন, উৎপল নামের কোনও সাংবাদিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি। এর আগে সন্ধ্যার দিকে উৎপলের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এ নিয়ে স্ট্যাটাস দেন অনেকে।

ওসি মিজানুল জানান, উৎপলের বাবা চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে উৎপল মির্জাপুরের একটি হাসপতালে তার অবস্থানের কথা জানিয়েছিল বলে মতিঝিল থানা পুলিশ তাকে জানিয়েছিল। তিনি বলেন, মতিঝিল থানা পুলিশ আমাকে জানালে মির্জাপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তাকে পাওয়া যায়নি।

গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন অনলাইন নিউজ পোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল। তিনি ফকিরাপুল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে।

সংবাদিক উৎপলের নিখোঁজের ঘটনায় অনলাইন নিউজ পোর্টালটির পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে। উৎপলের বাবাও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

নিখোঁজের পর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। তবে ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে তার মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে বাবা চিত্তরঞ্জনের কাছে। প্রায় ৮ মিনিট কথা বলার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।

এতথ্য জানিয়ে উৎপলের বাবা জানান, হঠাৎ ওই নম্বর থেকে কল করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সর্বশেষ ধানমণ্ডি এলাকায় উৎপলের মোবাইল সচল ছিল।


আরও সংবাদ