শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

মাদক ও দেহব্যবসার অভিযোগে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ১১ রোহিঙ্গা আটক

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭

বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গারা শরণার্থী শিবিরে নিয়মিত ত্রাণ পেলেও ইতিমধ্যেই তারা কাজের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করছে। কয়েকজন জামায়াত নেতা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পৃষ্ঠপোষকতায় দেহব্যবসা, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

গত সপ্তাহে টেকনাফের সাবরাং নয়াপাড়া সীমান্ত পয়েন্ট থেকে ৯০ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা মুল্যের ৩০ হাজার ৯৫ পিস ইয়াবা বড়িসহ ৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে বিওপির বিজিবি। তাদের দেয়া তথ্য অনুসারে কক্সবাজার সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান ও রামুতে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার আসামি শহীদুল আলম বাহাদুরের বাড়ি থেকে ১১ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। রোহিঙ্গা তরুনীদের দেহব্যবসায় নিয়োজিত করা ছাড়াও বয়স্ক নারী ও শিশুদের মাদক ব্যবসায়ে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাত কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ মাহমুদ বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদুল আলম বাহাদুর ওরফে ভিপি বাহাদুর বার্মিজ মার্কেট রোড়ের ভাড়া বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় ১১ রোহিঙ্গা এবং বাড়িটির কেয়ারটেকারকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয়েছে ওই বাড়ির এসি, টিভি ও ফ্রিজসহ অত্যাধুনিক আসবাবপত্র।

অভিযানকালে শহীদুল আলমকে সেখানে পাওয়া যায়নি বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি রঞ্জিত কুমার বড়ুয়া বলেন, শহীদুল আলম বাহাদুর বাহাদুর কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন। রামুতে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা ঘটনায় অভিযোগপত্রের আসামি তিনি। এ মামলায় এক গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে মুক্ত হন বাহাদুর।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের তল্লাশী না করায় ইয়াবা, ফেন্সিডিল সহ অন্যান্য মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া পতিতাবৃত্তিতে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে ব্যাপকভাবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা।


আরও সংবাদ