রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কোও গর্বিত : বিয়েট্রিস কালদুন

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকায় নিযুক্ত ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ) বিয়েট্রিস কালদুন বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে ‘মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত করে নিয়েছে ইউনেস্কো। এ জন্যে ইউনেস্কোও গর্বিত।

গতকাল শনিবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। ইউনেসকোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে নাগরিক কমিটি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

বিয়েট্রিস কালদুন বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি ঐতিহাসিক নথি ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ভাষণটির ওপর অনেক পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশ এবং এ দেশের জনগণকে অভিনন্দনও জানান ঢাকায় নিযুক্ত ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর বিয়েট্রিস

নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইউনেসকো ও যে দেশগুলো ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়েছে তাদের ধন্যবাদ দেন। তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য আমরা গর্বিত জাতি। আমাদের উন্নত শির যেন আর কোনোদিন পরাভূত না হয় সেজন্য সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত থাকবে, এর মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি এগিয়ে যাবে, এটাই হোক আজকের প্রতিজ্ঞা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে আমরা মুক্তিযোদ্ধাসহ সবাই সম্মানিত হয়েছি। তবে পাকিস্তানের প্রেতাত্মা তোষামোদকারী ও চাটুকাররা যেন আর কখনও ইতিহাস বিকৃত করার সুযোগ না পায় সেজন্য বাংলার মানুষকে জাগ্রত থাকতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। সমাবেশ পরিচালনা করছেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য দেন দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল।


আরও সংবাদ