শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
পঁচাত্তরের খুনিদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ “ধর্ষিত” মামুনের স্ক্রিনশপ জালিয়াতি ফাঁস : ইলিয়াস সহ সুশীলদের কটাক্ষ জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ : বিশ্ব সভায় বাংলা ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন ফ্রন্টিয়ার, ইমার্জিং ও ডেভেলপড মার্কেট রিটার্নে সবার ওপরে বাংলাদেশ

লন্ডনে বিএনপির প্রার্থী সহ তারেকের ৪ সহযোগীর ৩১ বছরের কারাদণ্ড

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : রবিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৮

বাংলাদেশি ভিসা জালিয়াতি ও ব্রিটিশ সরকারের ১৩ মিলিয়ন পাউন্ড হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাজ্যে চার বাংলাদেশিকে ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ব্রিট্রিশ আদালত। লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্ট শুক্রবার এ সাজা দেন। দন্ডিতদের মধ্যে একজন যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য ও বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন। অন্য তিনজনও যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর। সাজাপ্রাপ্ত চার জনই লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিএনপিকর্মীদের হামলা ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের অভিযোগে দায়ের করা মামলারও আসামী ছিলেন।

জালিয়াত চক্রের মূল হোতা রেজাউল করীম বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ার এ.কে.এম. রেজাউল করীম নামে পরিচিত। জালিয়াতির টাকায় নিজ নামে স্কুল কলেজ সহ বেশকিছু সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তিনি জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা। বিএনপির প্রচার সেলের অন্যতম ভূমিকা পালনকারী রেজাউল করিম কূটনীতিকদের নামে জাল চিঠি ইস্যুকারী বিএনপি নেতা সাদির সহযোগী এবং তারেক রহমানকে নিয়ে বই প্রকাশের উদ্যোক্তা।

মামলা চলাকালে দোষ স্বীকার করায় রেজাউল করিম‌কে সাড়ে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়। অন্য দন্ডিতরা হলেন রেজাউলের ভগ্নিপতি এনামুল করিম (৩৪), কাজি বরকত উল্লাহ (৩৯), মোহাম্মদ তমিজ উদ্দীন (৪৭)।

এদের মধ্যে রেজাউল, এনামুল ও বরকত গতকাল রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন। একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে তারা বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

জানা যায়, এ চক্রটি ৭৯টি ভুয়া কোম্পানি খুলে বহু বাংলাদেশির জাল কাগজপত্র তৈরী করেছিল। আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন ক্যাটাগরীর ভিসার আবেদনে জালিয়াতির দায়ে এ পাঁচজনকে ভিন্ন ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বিচারক মার্টিন গ্রিনফিথ বলেন, প্রতারকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র দফতরকে বোকা বানিয়ে ভিসা ইস্যু করানো। এবং এক্ষেত্রে তারা সফল। তাদের জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮ জন ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের ভিসা পেয়েছেন। তারা এখন ব্রিটেনে নাগরিকত্বের জন্য কাগুজে সক্ষমতা পেয়েছেন। দুজন পেয়েছেন ব্রিটেনে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ।

আদালতের প্রসিকিউটার জুলিয়ান ক্রিস্টোফার বলেন, এ জালিয়াত চক্রের জালিয়াতি ব্রিটেনে সমসাময়িক সব জালিয়াতিকে হার মানিয়েছে।

এ চক্রের মূল হোতা আবুল কালাম ওরফে রেজাউল করিম বলে আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য ও বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি বর্তমানে নির্বাচনে অংশ নিতে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। শনিবার দিনভর ফোনে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রেজাউল করিমের ব্যাপারে জানতে চাইলে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক শনিবার বিকেলে ইবার্তা টুয়েন্টিফোরকে বলেন, চক্রান্ত করে এ রায় দেয়া হয়েছে।


আরও সংবাদ