1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা কী? - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা কী? - ebarta24.com
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা কী?

বিভুরঞ্জন সরকার
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৫ নভেম্বর, ২০২১

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অতি প্রত্যুষে বাংলাদেশ বেতার থেকে যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার খবর প্রচার করা হয়, তখন যারা শুনেছেন তারা সবাই বিস্ময়বিমূঢ় হয়ে গিয়েছিলেন। এমন কিছু ঘটতে পারে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হতে পারে, সেটা সম্ভবত তখন কারো কল্পনাতেও ছিল না। অভাবনীয় ঘটনা পৃথিবীতে ঘটে না তা নয়। বঙ্গবন্ধুর স্বাভাবিক মৃত্যু হলে মানুষ শোকবিহ্বল হতো সন্দেহ নেই কিন্তু অসম্ভব বলে মনে হতো না।

কারণ আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা মোটেও বিরল নয়। রাতে সুস্থ মানুষ ঘুমিয়েছেন কিন্তু তার সেই ঘুম আর ভাঙেনি, এমন হয়েই থাকে। কিন্তু একজন মানুষ যিনি শুধু রাষ্ট্রপতি নন, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা তাকে হত্যা রাতের অন্ধকারে একদল ঘাতক হত্যা করবে, যিনি তখনও দেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশি আস্থাভাজন, তার বুক ঝাঝরা করবে তপ্ত বুলেট– এটা কারো কাছেই প্রত্যাশিত ছিল না।

যা ভাবনার বাইরে ছিল বাস্তবে তা ঘটে যাওয়ায় মানুষ চুপসে চায়, হয়ে পড়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। সাধারণ মানুষ হতবাক হয়ে অপেক্ষা করছিল, নিশ্চয়ই এই হত্যার প্রতিবাদে গর্জে উঠবে দেশ, বঙ্গবন্ধুর সহকর্মী সমর্থক শুভানুধ্যায়ীরা প্রতিবাদের ঝড় তুলবেন, ঘাতকরা রেহাই পাবে না– বাস্তবে তেমন কিছু ঘটেনি।

তখন রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি বিশেষ অবস্থা চলছিল। দেশে একটিমাত্র রাজনৈতিক দল- বাকশাল। কিন্তু বাকশাল ছিল গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে। সাংগঠনিকভাবে সংহত অবস্থায় ছিল না। বিভিন্ন দল থেকে যারা বাকশালের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে কাজের সম্পর্ক তখনও গড়ে ওঠেনি।

বাকশালে আওয়ামী লীগের একাধিপত্য থাকায় অন্যদের মধ্যে কিছু ক্ষোভ-অসন্তোষও ছিল। আবার বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা, যাকে পাকিস্তানি দুঃশাসকরাও হত্যা করার সাহস দেখায়নি, তাকে কিছু বাঙালি সামরিক কর্মকর্তা সপরিবারে হত্যা করল কোন শক্তির বলে, সেটা বুঝে উঠতে না পেরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীও সংগঠিত প্রতিবাদ করতে সক্ষমতা দেখাতে পারেননি।

তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের ডাক এলে বঙ্গবন্ধুকে আর জীবিত পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশকে হয়তো পাকিস্তানি ধারায় চালানোর অপচেষ্টা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করা যেত। কিন্তু দেশে নীরবতা নেমে আসায় ঘাতকরা ধরে নেয়-নীরবতা সম্মতির লক্ষণ- মানুষ মুজিবহত্যা মেনে নিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগেরই সিনিয়র নেতা এবং বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সদস্য খন্দকার মোশতাক আহমদ। সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি। বরং তিন বাহিনীর প্রধানেরা গিয়ে মোশতাকের প্রতি আনুগত্য দেখান। বঙ্গবন্ধুর লাশ ৩২ নম্বর বাড়ির সিঁড়িতে পড়ে থাকা অবস্থাতেই তার মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্য মোশতাকের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ায় মানুষের মনে ঘটনার প্রকৃত রূপ বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।

মোশতাকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের মধ্যে ঘৃণা ও ক্ষোভ থাকলেও তারা সাহস নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নামতে পারেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঈদ ও পূজার ছুটি উপলক্ষে দুই মাসের জন্য বন্ধ হওয়ায় বঙ্গবন্ধুহত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন পিছিয়ে যায়। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের সবাই মোশতাকের অবৈধ ক্ষমতাদখল মেনে না নিলেও করণীয় ঠিক করতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। কেউ আত্মগোপন করেন। মোশতাক-মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকার করেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামান। এর মধ্যে তাজউদ্দীন আহমদ শেষপর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় ছিলেন না। তিনি ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে মন্ত্রীপদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন এবং তিনি বাকশালের কোনো কমিটিতেও ছিলেন না। তবে এই চার নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, বলা যায় ছায়াসঙ্গী।

বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা তাদের ছিল। একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি হলে এই চার নেতাই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় চালিকাশক্তির ভূমিকায় ছিলেন। তাদের এই সক্ষমতাই নিজেদের জন্য কাল হয়েছে। মোশতাকের সঙ্গে আপস-সমঝোতায় রাজি না হওয়ায় এই চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ২৩ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার আট দিনের মাথায়।

অক্টোবর থেকেই পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে থাকে। খুনি মেজর চক্রের বাড়াবাড়িতে সামরিক বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা মেনে নিতে পারছিলেন না। খুনি চক্রের পছন্দের কারণে জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনী প্রধান নিয়োগ দেয়ায়ও সব সেনা কর্মকর্তা খুশি হতে পারেননি তাদের একজন তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ।

খালেদ ছিলেন একজন চৌকস সেনা কর্মকর্তা। মুক্তিযুদ্ধেও তিনি পালন করেছেন দুঃসাহসী ভূমিকা। সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়ে তিনি ৩ নভেম্বর ভোরে একটি পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটান। খুনি মেজরের দল এতে প্রমাদ গোনে। খালেদ মোশাররফ মোশতাককে ক্ষমতাচ্যুত করে জেলে আটক আওয়ামী লীগের চার নেতার হাতে ক্ষমতা দিলে খুনিদের বিপদ হবে- এই আশঙ্কায় তড়িঘড়ি করে তারা চার নেতাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন করে।

অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে কিছু কর্মসূচি পালন করা হয়। খুনিদের বিরুদ্ধে ধিক্কার ও ঘৃণা জানিয়ে লিফলেট প্রচার করা হয়। পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন মোশতাকের পক্ষের ব্যক্তিদের কড়া নজরদারি উপেক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে দেয়া স্লোগান লেখা হয়।

২০ অক্টোবর কলাভবনে এলাকায় একটি বড় মিছিল বের হয়। আগে থেকেই এর প্রস্তুতি চলছিল। আওয়ামী লীগের ভেতরেও কেউ কেউ ভয়ভীতি কাটিয়ে মোশতাকের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করতে থাকেন। ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি নেয়া হয়েছিল। ১৫ আগস্ট যে নৈঃশব্দ্য নেমে এসেছিল তা দূর করার একটি প্রচেষ্টা রূপ পেতে থাকার সময়ই খালেদ মোশাররফ সেনাবাহিনীতে পাল্টা ব্যবস্থা করায় জেলের ভেতরে চার নেতাকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে আবার একটি বড় আঘাত আসে বঙ্গবন্ধুর ভক্ত-অনুসারীদের ওপর।

চার নেতার হত্যাকাণ্ডের মতো নৃশংসতার ঘটনা ইতিহাসের বিরল।এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির ওপর আস্থা রেখেই এগিয়েছে আওয়ামী লীগ। ১৯৬৩ সালে সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট বা এনডিএফ থেকে বের হয়ে আওয়ামী লীগের পুনরুজ্জীবন একটি যুগান্তকারী ঘটনা। সোহরাওয়ার্দী বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধু এই পথে এগোতেন কি না, সন্দেহ আছে। কিন্তু নেতার মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধু নতুনভাবে ভাবার সুযোগ পেয়েছেন।

১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে একটা নতুন মাত্রা যোগ হয়েছিল। ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬ সালে পৌঁছানোর পথটা শেখ মুজিবের নেতৃত্বের জন্য ছিল এক বিশেষ সময়। এ সময়েই তিনি মূলত পূর্ব বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতীয় নেতা হয়ে উঠছিলেন। তিনি সে সময়ের আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাদের পাশে পাননি। পেয়েছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামান, অধ্যাপক ইউসুফ আলীর মতো কিছু নেতাকে, যারা সেসময় জাতীয় নেতা হিসেবে পরিচিতি পাননি।

খন্দকার মোশতাকও শেখ মুজিবের সঙ্গেই ছিলেন, তবে তার পেটে যে বদমতলব ছিল তা তখনও স্পষ্ট হয়ে প্রকাশ পায়নি। তবে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক উত্থানপর্বে তার বড় সহায় ছিল অবশ্যই ছাত্রলীগ। শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, আসম আব্দুর রব, নূরে আলম সিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ, আব্দুল কুদ্দুস মাখনের মতো নেতারা বঙ্গবন্ধুর ভরসার উৎস হয়ে উঠেছিলেন। তবে এরা সবাই শেষপর্যন্ত একমত, একপথে থাকতে পারেননি।

১৯৬৬ সালের ১৮-২০ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন হয়, তাতে সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। এর আগে ১৫ বছর তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দিন আহমদ। দলের সহসভাপতি হন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

তাজউদ্দিন আহমদ তার নিখুঁত মেধা ও পর্যবেক্ষণকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতির মাঠে শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠজনে পরিণত হন। যেকোনো নীতিনির্ধারণী বিষয়ে তাজউদ্দিন আহমদের উপস্থিতি ছিল অনিবার্য।

১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর বাঙালি জাতি এক নতুন যুগসন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়ায়। তখন বঙ্গবন্ধুর প্রতি আনুগত্য এবং নিজেদের মেধাবী উপস্থিতি দিয়ে মূলত চার নেতা রাজনীতির মাঠের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মানুষ হয়ে উঠেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত তাদের পরিকল্পনা মোটামুটি নিখুঁত ছিল। তারা জানত কাদের মারতে হবে, কারা বেঁচে থাকলেও সমস্যা নেই। তাই ১৫ আগস্টের পর তারা ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তারা সে জন্যই দম্ভ করে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছিল এবং এ-ও বলেছিল যে, কেউ তাদের বিচারের সম্মুখীন করতে পারবে না। তারা তখন বুঝতে পারেনি যে, যাদের তারা হত্যা করে ইতিহাসের গতি পরিবর্তন করে বিচারের বাইরে থাকার কথা ভেবেছিল তার বাইরে দুজন বেঁচে আছেন, তাদের দর্প চূর্ণ করার জন্য।

তারা বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা- শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরবেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে দুটি বর্বর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরও দলটি আবার ক্ষমতায় যাবে- এটা ভাবনার বাইরে রেখে খুনি চক্র নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছে। অবশ্য ঘাতক এবং তাদের দোসররা যখন শেখ হাসিনাকে তাদের বিপদ ভেবেছে, তখন তাকে হত্যারও একাধিক চেষ্টা করেছে। সফল হতে পারেনি। উল্টো শেখ হাসিনা সফল হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং জেলহত্যার বিচার হয়েছে। হত্যা ও খুনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের যে অপরাজনীতি তা এখন প্রায় অসম্ভব করে তুলেছেন শেখ হাসিনা।

ব্যক্তি খন্দকার মোশতাক আর বেঁচে নেই। কিন্তু তার মতো বিভীষণ এখনও আছে। খুনিদের কয়েকজন মৃত্যুদণ্ড মাথায় নিয়ে বিদেশে পালিয়ে আছে। হত্যার রাজনীতির সমর্থকরাও এখনও রাজনীতির মাঠে সক্রিয় আছে। তাই আমরা একেবারে বিপদমুক্ত, তেমন দাবি করা যাবে না। জেলহত্যার দিনে তাই আরও সতর্কতার সঙ্গে পথ চলার বিষয়টি কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

লেখক: বিভুরঞ্জন সরকার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021