1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এস কে সিনহার কানাডায় - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এস কে সিনহার কানাডায় - ebarta24.com
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এস কে সিনহার কানাডায়

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা

দুর্নীতির মামলায় দেশের আদালতে ১১ বছরের সাজা হওয়ার পর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা এখন কোথায় তা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। কয়েকটি সূত্রের তথ্যমতে, তিনি এখন কানাডায় অবস্থান করছেন। সেখানে তিনি এবং তার স্ত্রী সুষমা সিনহা রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন। এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আবেদনটি দীর্ঘদিন ঝুলে থাকায় তারা কানাডায় চলে যান।

কানাডার দ্য স্টার পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিচারপতি সিনহা জানিয়েছেন, কানাডার আইন অনুযায়ী কোনো দেশে একবার রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পর অন্য কোনো দেশে একই আবেদন করার সুযোগ নেই। তবে কানাডা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এস কে সিনহা কানাডায় প্রায়ই বাঙালিদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। মাঝেমধ্যে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেন। তাকে নিয়ে বেশকিছু অনুষ্ঠান বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে প্রচার হচ্ছে।

২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বাংলাদেশ ছেড়ে যান। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দুই দফায় ছুটির মেয়ার বাড়ানোর পর ১০ নভেম্বর কানাডা যাওয়ার পথে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা হয়ে যুক্তরাষ্ট্র্রে যান। বছর খানেক তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি এলাকায় তার ভাই অনন্তু কুমার সিনহার নামে কেনা বাড়িতে ছিলেন। ২০১৯ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে কানাডায় গিয়ে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেন।
স্বাধীনতার ৫০ বছরে বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছিলেন দেশের প্রথম অমুসলিম প্রধান বিচারপতি। মেয়াদ শেষ হওয়ার ৮২ দিন আগেই পদত্যাগ করতে হয় তাকে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের ঘটনা এটিই প্রথম। এরই মধ্যে গতকাল দুর্নীতির মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ আদালত। এটিও দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে ছিলেন। তবে ২০১৭ সালের ১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনা জোরদার হয়। রায়ে প্রধান বিচারপতি বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র, সংসদসহ বিভিন্ন বিষয়ে মন্তব্য করেন। পরে ওই রায় রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) চেয়ে আবেদন করার জন্য আইনি পদক্ষেপ নিতে ওই বছর ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

রায় নিয়ে বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের টানাপোড়েনের মধ্যে ওই বছরের ২ অক্টোবর অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটিতে যান প্রধান বিচারপতি। পরে ১৩ অক্টোবর তিনি অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। যাওয়ার আগে প্রধান বিচারপতি লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অসুস্থ নই। পালিয়েও যাচ্ছি না। সাময়িকভাবে যাচ্ছি। আবার ফিরে আসব। বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষার জন্য যাচ্ছি। সরকারকে ভুল বোঝানো হয়েছে।’

পরদিন এ ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানায়, প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ১১টি দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি অসদাচরণসহ ১১টি সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ ওঠায় প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের অপর পাঁচজন বিচারপতি বসতে চাননি। এমন বাস্তবতায় বিচারপতি ফের আদালতে বসতে চাইলে বা নতুন করে দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করলে তা হবে আদালত অবমাননার শামিল। তখন থেকেই প্রধান বিচারপতির দেশে ফিরে দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরই মধ্যে দেশের আদালতে বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার বিচার শুরু হয়।

 





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021