শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

পাকিস্তানে বাংলাদেশের পতাকা! ৭১-এ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ডাদেশের স্বীকারোক্তি

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

প্রথম বারের মতো পাকিস্তানে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ১৬ ডিসেম্বর দিনব্যাপী বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে চান্সারি প্রাঙ্গণ ক্ষুদ্রাকৃতির জাতীয় পতাকা, বিজয় দিবসের পোস্টার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে মনোরম ভাবে সাজানো হয়।

সকালে চান্সারি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন হাই কমিশনার তারিক আহসান।
বিকেলে বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

সভায় বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথাসহ সংশ্লিষ্টদের অবদানের কথা বর্ণনা করেন। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা কালে হাই কমিশনার তারিক আহসান দেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তিনি ত্রিশ লক্ষ শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও দুই লক্ষ সম্ভ্রম হারানোমা-বোনের প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে পাকিস্তানের কয়েকটি টিভি চ্যানেলে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে “ফল অব ঢাকা” শিরোনামে অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয়। আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ বক্তা পাকিস্তানের বিভক্তির জন্য তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী ও পাক-সেনাবাহিনীকে দোষারোপ করেন। সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন, ইমতিয়াজ আলমসহ প্রগতিশীর বক্তারা ইয়াহিয়া খানকে এবং শাসকদের দ্বারা বাঙালী শোষণের নীতিকেই কারণ বলে উল্লেখ করেন।

৭১ এ ছাত্রসংঘের এবং বর্তমান পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর নেতা লিয়াকত বালোচ বলেন, ভারতের ইন্ধনে আওয়ামী লীগ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছে। ৭১-এ তার দলের নেতাকর্মীরা পাকিস্তান রক্ষায় কাজ করেছে বলেও মন্তব্য করেন।
তৎকালীন পিপলস পার্টির নেতা রহমান ভুল নীতির কথা স্বীকার করে বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কারাগারে অন্তরীণ থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছিল।


আরও সংবাদ