1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আজ পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আজ পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি - ebarta24.com
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন

আজ পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি

সুভাষ হিকমত
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১

পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি আজ। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

ইতোমধ্যে চুক্তির বেশির ভাগ ধারাই বাস্তবায়িত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ পাহাড়িদের জীবনযাত্রার মানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শান্তিবাহিনীর আদলে সশস্ত্র ৪টি গ্রুপ সক্রিয় থাকায় পাহাড়ে পুরোপুরি শান্তি ফেরেনি।

পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৪তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন।

পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে শান্তিচুক্তি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের উপস্থিতিতে সরকারের পক্ষে চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জেএসএস-এর পক্ষে সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তির বিরোধিতা করে প্রসিত বিকাশ খীসার নেতৃত্বে ১৯৯৮ সালে গড়ে ওঠে ইউনাইটেড পিপল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। এরপর শুরু হয় জনসংহতি সমিতির সঙ্গে ইউপিডিএফ-এর সংঘাত। ঘটে বহু মানুষের প্রাণহানি। পরে জনসংহতি সমিতি ভেঙে দুই দলে বিভক্ত হয়।

জন্মলাভ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) নামে আরেকটি আঞ্চলিক দল। ইউপিডিএফ ভেঙেও গঠিত হয় ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামে আরেক আঞ্চলিক সংগঠন। এরপর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতিতে চারটি দলে হানাহানি লেগেই আছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বর্তমান সরকারই পার্বত্য চুক্তি সম্পাদন করেছে। চুক্তির পরে পর্যটন, কৃষি, শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। জেলার অর্থনীতি পর্যটননির্ভর। পর্যটকদের নিরাপত্তার কোনো সংকট নেই। ফলে পর্যটন খাত দিনদিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। আমাদের কৃষিতেও অগ্রগতি হয়েছে। পাহাড়ি জেলা হলেও খাগড়াছড়ি এখন ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

খাগড়াছড়ি পর্যটন করপোরেশনে ইউনিট ব্যবস্থাপক একেএম রফিকুল আলম জানান, চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে পর্যটনের দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। চুক্তির আগে নিরাপত্তা সংকটের কারণে পাহাড়ে হাতেগোনা পর্যটক আসত। এখন দৃশ্যপট পালটে গেছে। বর্তমানে শুধু খাগড়াছড়িতেই প্রতিমাসে অন্তত ২০ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করছেন।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, আগে সড়কের আতঙ্ক ছিল বেইলি ব্রিজ। ইতোমধ্যে সরকারের অর্থায়নে সড়ক বিভাগ ৭০টি পাকা সেতু নির্মাণ করেছে। এতে পাহাড়ের সড়ক যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে।

চুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে রাঙামাটিতে জনসংহতি সমিতির উদ্যোগে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার। আলোচনাসভার আয়োজন করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। এছাড়া আলোচনাসভা করবে জেলা আওয়ামী লীগ।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021