[…]দু’মাসের মধ্যে শুরু হচ্ছে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন […]দু’মাসের মধ্যে শুরু হচ্ছে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন

দু’মাসের মধ্যে শুরু হচ্ছে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম:
আপডেট সময়:আগস্ট ৬, ২০১৭ , ৭:২১ পূর্বাহ্ন
বিভাগ: তথ্য প্রযুক্তি

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম: জঙ্গি তৎপরতাসহ বিভিন্ন অপরাধ, মোবাইল হ্যান্ডসেট চুরি, ছিনতাই ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিটিআরসি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী দু’মাসের মধ্যে শুরু হবে এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া। এজন্য উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষকে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে বিটিআরসি মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমএনও), আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, কাস্টম ও এনবিআরের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হবে। বিটিআরসির সভায় এ বিষয়ক একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি সচিব সরওয়ার আলম।

এ বছরের ২৫ জানুয়ারি ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল হ্যান্ডসেটের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি (আইএমইআই) ডাটাবেস তৈরি ও সংরক্ষণের জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নিবন্ধণ চালু হলে মোবাইলের আইএমইআই নম্বর নির্দিষ্টকরণের ফলে সংশ্লিষ্ট নম্বরের হ্যান্ডসেট ছাড়া অন্য কোনো হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা যাবে না। নিবন্ধনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে গত বছরে প্রণীত জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছিল, নিরাপত্তা ঝুঁকি, চুরি ও অন্যান্য বিষয় যেমন মোবাইল হ্যান্ডসেটের পুনঃপ্রোগ্রামিং রোধে মোবাইল ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের একটি জাতীয় নিবন্ধন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে।

উল্লেখ্য, আইএমইআই নম্বরবিহীন মোবাইল ফোনসেট ব্যবহার রোধে ২০১২ সালের মার্চে ছয় মাসের মধ্যে নকল সেটের আইএমইআই নম্বর চিহ্নিত করার জন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশনা দেয়া হলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি।

জানা গেছে, নিবন্ধন চালু হলে ব্যবহৃত মোবাইল সেটগুলোকে ৫০ টাকার বিনিময়ে আইএমইআই নম্বর দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিটিআরসির।

নিবন্ধনের সিদ্ধান্তপত্রে বলা হয়েছে : বর্তমানে বছরে গড়ে আনুমানিক ১৫ হাজার কোটির বেশি টাকার মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়। অবৈধভাবে এসব সেট আমদানিতে সরকার বছরে আনুমানিক ৮০০ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো জঙ্গি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ নানাবিধ আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে ব্যবহার হচ্ছে এবং সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বেগ পেতে হচ্ছে।নিবন্ধন পদ্ধতি চালু হলে দেশে অবৈধভাবে মোবাইল হ্যান্ডসেটের অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে। মোবাইল হ্যান্ডসেট চুরি রোধ করা যাবে। চুরি হওয়া সেট টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি অপ্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিণত হবে এবং তা পুনরুদ্ধার সহজতর হবে।

এছাড়া চুরি ও ছিনতাই হওয়া হ্যান্ডসেটের নম্বর পৃথক ডাটাবেসে সংরক্ষিত থাকবে এবং চুরি হওয়া সেট ব্যবহার ঠেকানো যাবে।

এজন্য বিটিআরসির অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ বা জনবলের প্রয়োজন হবে না বলে জানানো হয়েছে।