[…]ডোকলামের দখল নিতে চীনের ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’ ! […]ডোকলামের দখল নিতে চীনের ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’ !

ডোকলামের দখল নিতে চীনের ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’ !

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম:
আপডেট সময়:আগস্ট ১৬, ২০১৭ , ৮:৫০ পূর্বাহ্ন
বিভাগ: আন্তর্জাতিক সংবাদ

ইবার্তা ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে চীন সনাতন ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’ ব্যবহার করবে বলে অভিমত জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই কৌশল সম্পর্কে প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি সরাসরি না এলেও বিশ্বের দুটি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে জানা যায় এ ছক তৈরি হয় ২০০৩-এ এবং চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন এই স্ট্র্যাটেজিকে ছাড়পত্র দেয়। দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের প্রভাব স্থাপনে ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’র বা তিন রণকৌশল নীতি প্রণীত হয়।

তিন রণনীতির প্রথমটি হচ্ছে ‘মিডিয়া যুদ্ধ’। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে একের পর এক প্ররোচনামূলক খবর প্রকাশ করে বিপক্ষকে চাপে রাখবে। চীনা সংবাদমাধ্যমগুলি ইতোমধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। দলীয় মুখপত্র হিসাবে গ্লোবাল টাইমস, শিনহুয়া নিউজ পিছিয়ে নেই।। যদিও জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিষিদ্ধ বলে তাদের কিছু বেগ পেতে হচ্ছে।

দ্বিতীয় কৌশলটি হল ‘মানসিক যুদ্ধ’। এই কৌশলের জন্য নিয়োগ করা হয় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সেনা কর্মকর্তাদের। তারা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দেশের সামরিক শক্তি এবং জল-স্থল ও আকাশ পথে নিজেদের সক্ষমতা ও সামর্থের কথা তুলে ধরবেন।

তৃতীয় কৌশলটি হল আইনি লড়াই। ২০১৬-য় এই ছকেই আন্তর্জাতিক আদালতে দক্ষিণ চীন সাগরের দখল নিতে চেয়েছিল বেজিং। ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কায় তাদের অবস্থানের জানান দেন।

চীনা সেনাকর্তারা সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য ভারতের উপর চাপ বাড়াচ্ছেন। অন্যদিকে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সেনা প্রত্যাহার করতে হলে একসঙ্গে দুই দেশকেই তা করতে হবে। সম্প্রতি সিকিমের নাথু লা-তে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে বসেছিলেন দু’দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তারা। ধারণা করা হচ্ছে ভারতের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেয়ায় ভারত সুবিধাজনক স্থানে রয়েছে, কিন্তু চীনের বৃহৎ সেনাবাহিনীসহ সামরিক ও অর্থনৈতিক যে শক্তি রয়েছে তা উপেক্ষা করারও সুযোগ নেই! তাই সবশেষ কথা হচ্ছে, বিশ্বের মিডিয়ায় যুদ্ধ হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্ন তোলা হলেও, মূলত বাকযুদ্ধেই সীমাবদ্ধ থাকবে চীন-ভারত যুদ্ধ।



নির্বাচন বার্তা