[…]‘রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে যুদ্ধ ঘোষণা আরসা’র’ […]‘রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে যুদ্ধ ঘোষণা আরসা’র’

‘রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে যুদ্ধ ঘোষণা আরসা’র’

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম:
আপডেট সময়:আগস্ট ২৯, ২০১৭ , ১:৪৫ অপরাহ্ন
বিভাগ: আন্তর্জাতিক সংবাদ

২০১২ সালের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) রোহিঙ্গাদের অধিকার ফিরে পাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। হংকংভিত্তিক অনলাইন পত্রিকা এশিয়া টাইমসে প্রকাশিত এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সংগঠনের প্রধান নেতার মুখপাত্র আবদুল্লাহ এ ঘোষণা দেন।

আরসাকে ধর্মভিত্তিক নয়, জাতিগত অধিকারভিত্তিক সংগঠন বলে দাবি করে তিনি বলেন, তাদের সশস্ত্র বিদ্রোহ জেহাদ নয় বরং তারা জাতিগত মুক্তিকামী। মিয়ানমারের মধ্যেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব এবং মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করাই তাদের উদ্দেশ্য। ২৫ আগস্টের হামলা ছিল আত্মরক্ষামূলক এবং রোহিঙ্গাদের অধিকার ফিরে পাওয়া পর্যন্ত এ যুদ্ধ চলবে বলে তারা ঘোষণা করেছে।

আবদুল্লাহ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন তারা।

এর আগে ২৫ আগস্টে হামলার আগে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন বন্ধ করতে মিয়ানমার সরকারকে সতর্ক করে।

ভিডিও বার্তায় আরসা নেতা আতাউল্লাহ আবু আম্মা জুনুনি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে এ লড়াই একান্তই নিজেদের অধিকারের উল্লেখ করে এতে বাংলাদেশের দুর্নাম হবে না বলে আশ্বস্ত করেন সংগঠনের কমান্ডার ইন-চার্জ বলে পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি।

১৮ মিনিটের বেশি ওই ভিডিও বার্তায় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রচেষ্টার প্রশংসা করা হলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সরকার দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের উপর সেদেশের সেনা বাহিনীর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ, হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও পোড়াও অব্যাহত রেখেছে বলে দাবি করেন।

আতাউল্লাহ আবু আম্মা জুনুনি বিশ্বের নেতাদেরকে উদ্দ্যেশে বলেন, সেনারা মিয়ানমার রাশিডং গত ২০ দিন ধরে রোহিঙ্গাদের ঘিরে রেখেছে এটা খুবই দুঃখজনক। এমনকি সেনাদের সঙ্গে রাখাইনরা রয়েছে। এতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চলাফেলা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে তাদের না খেয়ে মরতে হচ্ছে। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। আশা করি আন্তজার্তিক নেতারা এ বিষয়ে মিয়ানমার উপর চাপ প্রয়োগ করবে। তাই প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশেকারী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও সহযোগিতার করার জন্য অনুরোধ জানান।