বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
/ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
করোনা শনাক্তের জন্য দেশে এতদিন শুধু রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর) পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার অনুমতি ছিল। তবে এখন সরকার অ্যান্টিজেন পরীক্ষার অনুমতি দিচ্ছে। তবে সেটা শুধু সরকারি পর্যায়ে আরও পড়ুন
ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার: বিগত মার্চ মাসের ১১ তারিখে যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে, তখন থেকেই এই রোগটি শনাক্ত করতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার সাথে সাথে সমানভাবে বাড়ছে হোম কোয়ারান্টিনে থাকা মানুষজনের সংখ্যাও। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসকেরা অনেককেই হাসপাতালের পরিবর্তে হোম কোয়ারান্টিনে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু একই বাড়িতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের
এরই মধ্যে কেউ কেউ হয়তো সবে সেরে উঠেছেন করোনাভাইরাসজনিত রোগ কভিড-১৯ থেকে। অনেকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন কিংবা বাসায়ই সুস্থ হয়েছেন, তবে খেয়াল রাখতে হবে কিছু বিষয়। পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা
১০ বছর আগে চালু হওয়া অনলাইন পদ্ধতির জিডিতে কয়েক লাখ জিডি (সাধারণ ডায়েরি) হয়েছে। জিডিগুলো পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে দেখতে পায় এর অর্ধেকই ভুয়া। মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনলাইনে জিডি করা
করোনা সংক্রমণ রুখতে এই সময়ে ফেস মাস্ক ব্যবহার খুবই জরুরি। যে কারণে ঘরে বসেই তৈরি করে নিন মাস্ক। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে পরিষ্কার সুতি কাপড় এবং সেলাই মেশিন অথবা ছুঁচ-সুতো।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের দাফনের জন্য এখন দেশের বেশ কিছু তৈরি পোশাক কারখানা এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠান বডিব্যাগ তৈরি করছে। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে বা উপসর্গ নিয়ে যারা মারা
করোনা আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দেওয়া হয় প্লাজমা থেরাপি। শরীরের রক্ত থেকে এক প্রকার রস নিয়ে তা প্রয়োগ করা হয় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে। কিন্তু এই প্লাজমা সংগ্রহের প্রধান