সংশোধন নীতি
নির্ভুল থাকার সব চেষ্টা সত্ত্বেও সংবাদ প্রকাশে ভুল হতে পারে। ভুল স্বীকার করা এবং তা দ্রুত ঠিক করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। এই নীতিতে বলা হয়েছে, ভুল ধরা পড়লে আমরা কী করি এবং পাঠক কীভাবে আমাদের জানাতে পারেন।
ভুল জানাবেন কীভাবে
কোনো লেখায় তথ্যগত ভুল, ভুল নাম বা পদবি, ভুল উদ্ধৃতি, ভুল ছবি বা বিভ্রান্তিকর শিরোনাম চোখে পড়লে যোগাযোগ পাতার (ebarta24.com/page/contact) মাধ্যমে জানান। বার্তায় দিন:
- লেখাটির পুরো লিংক
- কোন অংশে ভুল, তা হুবহু উল্লেখ করে
- সঠিক তথ্য কী, এবং সম্ভব হলে তার সূত্র বা প্রমাণ
- প্রয়োজনে আপনার সঙ্গে যোগাযোগের উপায়
প্রতিটি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও সম্পাদক পর্যালোচনা করেন। অভিযোগ সঠিক প্রমাণিত হলে লেখা সংশোধন করা হয়।
আমরা কীভাবে সংশোধন করি
- ভুল নিশ্চিত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব লেখায় তা ঠিক করা হয়।
- তথ্যগত ভুল সংশোধনের পর লেখার শেষে একটি সংশোধনী নোট যোগ করা হয়। তাতে বলা থাকে কী ভুল ছিল, কী সংশোধন করা হয়েছে এবং কবে।
- যে ভুল লেখার মূল বক্তব্য, কোনো ব্যক্তির সুনাম বা পাঠকের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে, তা আরও স্পষ্টভাবে জানানো হয়; প্রয়োজনে শিরোনাম ও সারাংশও বদলানো হয়।
- অর্থ বদলায় না এমন বানান, যতিচিহ্ন বা ভাষাগত ছোট ত্রুটি নোট ছাড়াই ঠিক করা হতে পারে।
- আমরা কখনো নীরবে কোনো লেখার অর্থ বদলাই না।
হালনাগাদ ও সংশোধনের পার্থক্য
চলমান ঘটনায় নতুন তথ্য এলে তা লেখায় যোগ করা হয়; এটি হালনাগাদ, ভুলের সংশোধন নয়। এমন ক্ষেত্রে প্রকাশের সময়ের পাশে ‘আপডেট’ সময় দেখানো হয় এবং প্রয়োজনে লেখার ভেতরে উল্লেখ করা হয় কোন তথ্য নতুন যোগ হলো। অন্যদিকে, আগে প্রকাশিত কোনো তথ্য ভুল প্রমাণিত হলে তা সংশোধন হিসেবে গণ্য হয় এবং ওপরের নিয়মে নোট দেওয়া হয়।
ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনের রায় বদলালে নোটে আগের রায়, নতুন রায় এবং পরিবর্তনের কারণ উল্লেখ করা হয়।
লেখা সরানোর অনুরোধ
প্রকাশিত লেখা সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ আমরা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করি, তবে শুধু অনুরোধের ভিত্তিতে নির্ভুল ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন সরানো হয় না। সংবাদের আর্কাইভ নির্ভরযোগ্য রাখাও আমাদের দায়িত্ব। যেসব ক্ষেত্রে লেখা সরানো, বদলানো বা কোনো অংশ বাদ দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হয়:
- লেখাটি ভুল তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং সংশোধন যথেষ্ট নয়
- লেখার কারণে কোনো ব্যক্তির নিরাপত্তা বা জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে
- আদালত বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ আছে
- কপিরাইট লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে
- পুরোনো কোনো ছোট ঘটনায় কারও নাম প্রকাশ এখন আর জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় নয় এবং তা তাঁর অযৌক্তিক ক্ষতি করছে
কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি পরে অব্যাহতি বা খালাস পেলে, প্রমাণসহ জানালে আমরা মূল প্রতিবেদনে সেই তথ্য যোগ করি অথবা নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করি। সাধারণভাবে আমরা লেখা পুরোপুরি মুছে ফেলার চেয়ে হালনাগাদ বা সংশোধনী যোগ করাকে অগ্রাধিকার দিই। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পাদকের।
সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬