বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ছয় গোলের রোমাঞ্চে বার্সেলোনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শীর্ষে পিএসজি

পার্ক দে প্রাঁসে ২০ অক্টোবর ৪-২ গোলের জয়ে নয় পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্বের তালিকার শীর্ষে উঠেছে প্যারিসের দল; মৌসুমে প্রথম হার বার্সার।

পার্ক দে প্রাঁস স্টেডিয়ামের ভেতরে ভরা গ্যালারি, মাঠের মাঝে বিশাল এলইডি পর্দা ও পিএসজির ব্র্যান্ডিং
ফাইল ছবি: প্যারিসের পার্ক দে প্রাঁস স্টেডিয়াম, ২০২৬ সালের ৩০ মে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল উপলক্ষে একটি আয়োজনের দিনে তোলা। ছবিটি পিএসজি–বার্সেলোনা ম্যাচের নয়। · ছবি: Terre Intègre / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বের তৃতীয় ম্যাচ দিনে ২০ অক্টোবর রাতে প্যারিসের পার্ক দে প্রাঁসে বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে প্যারিস সাঁ-জেরমাঁ (পিএসজি)। এই জয়ে নয় পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্বের তালিকার শীর্ষে উঠেছে তারা; বার্সেলোনার পয়েন্ট ছয়। আফ্রিকাসকার ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই হারে থামল বার্সার টানা ১১ ম্যাচের জয়ের ধারা, মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তাদের প্রথম পরাজয়।

প্রথমার্ধে ম্যাচের ছন্দ ছিল পিএসজির দখলে। শুরুর দিকেই খভিচা কভারাতসখেলিয়া পোস্টে বল মারেন, আর বার্সেলোনার গোলকিপার জোয়ান গার্সিয়া একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন; ভাভেলের প্রতিবেদনে প্রথমার্ধেই তাঁর সাতটি সেভের কথা আছে। বিরতির আগে ৩৮ মিনিটে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন দেজিরে দুয়ে। ২০ মিনিটের দিকে ওসমান ডেম্বেলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে তাঁর জায়গায় নামেন ফেরান তোরেস।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ হয়ে ওঠে নাটকীয়। ৫৫ মিনিটে সমতা ফেরান শাভি এসপার্ত, যিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে ছিলেন। ৭২ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে পিএসজিকে আবার এগিয়ে দেন লুকাস হার্নান্দেজ। ৭৯ মিনিটে একক দক্ষতায় ২-২ করেন লামিন ইয়ামাল।

ইয়ামালের গোলের প্রায় দুই মিনিট পরেই ভিতিনহার শটে ৩-২ করে পিএসজি। শেষ দিকে আশরাফ হাকিমির ক্রসে ফাবিয়ান রুইজ ফাঁকা জালে বল পাঠালে ব্যবধান হয় ৪-২। ভাভেলের তথ্য অনুযায়ী এটি ২০১৭ সালের পর ফ্রান্সে বার্সার বিপক্ষে পিএসজির প্রথম জয় এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ১৩তম অপরাজিত ম্যাচ, যা প্রতিযোগিতায় ক্লাবটির রেকর্ড।

ম্যাচে বার্সেলোনার দানি ওলমোও চোট পেয়েছেন; তাঁর জায়গায় নামেন ফের্মিন লোপেস। ওলমো ও ডেম্বেলে দুজনের চোটের ধরন বা গুরুত্ব নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে কিছু বলা হয়নি। দুই কোচ লুইস এনরিকে (পিএসজি) ও হান্সি ফ্লিকের (বার্সেলোনা) কোনো সরাসরি বক্তব্যও ওই প্রতিবেদনগুলোতে নেই।

একই লিগ পর্বের ম্যাচ দিনে ২০ ও ২১ অক্টোবর অন্য ম্যাচগুলোতেও গোলের ছড়াছড়ি ছিল। ম্যানচেস্টার সিটি ৫-১ গোলে এইকে এথেন্সকে, লিভারপুল ৪-৩ গোলে ভিয়ারিয়ালকে এবং রিয়াল মাদ্রিদ ৪-১ গোলে আরবি লাইপজিগকে হারায়। বায়ার্ন মিউনিখ ও আর্সেনালের ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলের ড্রয়ে, আর ২১ অক্টোবর কোমো ৪-১ গোলে হারায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে।

তথ্যসূত্র

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন