1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আওয়ামী লীগ চাইলেও বিএনপির ‘না’ বহাল - ebarta24.com
  1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আওয়ামী লীগ চাইলেও বিএনপির ‘না’ বহাল - ebarta24.com
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগ চাইলেও বিএনপির ‘না’ বহাল

বিভুরঞ্জন সরকার
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের পক্ষে-বিপক্ষে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে। গত ৭ মে রাতে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী কমিটির সভার পর নির্বাচন নিয়ে আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে। ওই সভায় দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। বিষয় দুটি হলো- এক. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ইভিএমে। দুই. ভোটে বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণ থাকবে। গত নির্বাচন নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাকে জবাব দিতে হয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও কঠিন হবে। যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে সারাদেশে জরিপ চলছে বলেও জানিয়েছেন দলীয় প্রধান। বৈঠকের পর সারাদেশেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে আনা, সভা-সমাবেশ করার সুযোগ দেয়া এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধানের দেয়া আশ্বাসকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখছে বিএনপি। দলটির নেতারা মনে করছেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এমন আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। এখন নতুন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশ্বাস মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে ফাঁদে ফেলার নতুন কি ‘ফন্দি’ আঁটছে বা এবার সরকার কোন কৌশলে এগোচ্ছে, তা এখনো বিরোধীদের কাছে পরিষ্কার না হলেও ইভিএমকে আওয়ামী লীগের নতুন কৌশল হিসেবে মনে করছেন কেউ কেউ। বৈঠকের পর দিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেছেন, আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘পরবর্তী নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের কথা পরিষ্কার, আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগ না করলে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে নির্বাচনের কোনো প্রশ্নই উঠতে পারে না।’তাহলে আসলে কী হতে যাচ্ছে আগামী দিনগুলোতে? এই প্রশ্নের উত্তর এককথায় দেয়ার মতো রাজনৈতিক জ্যোতিষী দেশে আছে বলে মনে হয় না।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা বা যাওয়ার জন্য ২০১৪ সালে ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। আওয়ামী লীগ যে আগামী নির্বাচনেও জয়লাভের বিকল্প ভাবছে না, সেটা জোর দিয়েই বলা যায়। কিন্তু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ফলাফল কী হবে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। বিএনপি মনে করে অবাধ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নির্ভার বলেই মনে হয়। দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী আবারো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রের’ কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ‘৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে এ দেশে ভোট কারচুপির সংস্কৃতি শুরু করে। আর এভাবেই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ভোটের পারসেন্টেজের দিক থেকে আওয়ামী লীগ কখনো পেছনে ছিল না, কিন্তু বারবার ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে পেছনে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’

রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘তারা যে সরকার উৎখাত করতে চায়, আমাদের অপরাধটা কী? কোথায় আমরা ব্যর্থ হয়েছি?’ আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘দেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে, মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, দারিদ্র্য ৪০ থেকে ২০ শতাংশে নামিয়ে এনেছি। এবারের সেন্সাস রিপোর্টেও আপনারা দেখবেন এই দারিদ্র্য বা হতদরিদ্র এমনভাবে কমে গেছে যে বিশ্বও বিস্মিত হবে।’

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন আওয়ামী লীগ সরকারের একটা বড় সাফল্য। তাই প্রযুক্তিনির্ভর ইভিএম ব্যবহার করে ভোটগ্রহণের বিষয়টিকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে ইভিএমে ভোটগ্রহণের ব্যাপারে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর জোরালো আপত্তি আছে। ফলে আগামী নির্বাচনে বিরোধী সব দলের অংশগ্রহণ দেখতে চাওয়ার ক্ষেত্রে ইভিএম সমস্যা কীভাবে সমাধান করা হবে সেটাও দেখার বিষয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং নির্বাচন নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো ইভিএমের কারিগরি ত্রæটির কথা বলছেন। যেমন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ব্যবহৃত ইভিএমে ভোটার ভেরিয়েবল পেপার অডিট ট্রেইল বা ভিভিপিএটি নেই। এই ব্যবস্থায় একজন ভোটার ভোট দেয়ার পর একটা প্রিন্ট করা সিøপ বেরিয়ে আসবে। এতে ভোটার কোন প্রতীকে ভোট দিয়েছেন, তা দেখতে পারবেন। কোনো কারণে ভোট পুনর্গণনার প্রয়োজন হলে সেটা সহায়ক হবে। ভারতে এই ব্যবস্থা চালু আছে।

এছাড়া ইতোপূর্বে বিভিন্ন নির্বাচনে ইভিএমের কিছু দুর্বল দিক দেখা গেছে। সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএমে ভোট নেয়া কেন্দ্রগুলোয় ধীরগতি দেখা গেছে। একটি বড় সমস্যা ছিল বয়স্ক, বিশেষ করে নারী ভোটারদের আঙুলের ছাপ মিলছে না। এর জন্য ভোট দিতে পারেননি অনেকে। জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন ভোটে ইভিএম মেশিন ব্যবহারে ভোটারের অনভ্যস্থতার কারণেও ধীরগতির সৃষ্টি হতে দেখা গেছে। এছাড়া ইভিএমে ভোটারের পছন্দমতো প্রতীকে ভোট দিতে না পারার অভিযোগও ছিল। অধিকাংশ অভিযোগ ছিল, গোপন কক্ষে আগে থেকেই সরকার দলের লোকজন অবস্থান নিয়ে থাকা। ভোটার নিজের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে ব্যালট ওপেন করার পর গোপন কক্ষে থাকা ব্যক্তি আগেই বাটন চেপে দিয়েছেন।

ইভিএম নিয়ে এসব আপত্তির নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর গত ৯ মে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ৩০০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের সক্ষমতা কমিশনের নেই। কমিশনের এখন যে ইভিএম আছে তাতে সর্বোচ্চ ১৩০ আসনে ভালোভাবে ভোট করা সম্ভব। বুয়েটের অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম অবশ্য মনে করেন ইভিএম সিস্টেমে ভোট কারচুপির কোনো সুযোগ নেই এবং নির্বাচন কমিশন চাইলে ৩০০ আসনেই ইভিএমে ভোটগ্রহণ সম্ভব। সরকার কীভাবে ইভিএম বিতর্কের নিরসন করতে চায় তা এখনো পরিষ্কার নয়।
বিএনপির দীর্ঘদিনের দাবি, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা। এই দাবির বিষয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়ার ইচ্ছা নেই আওয়ামী লীগের। এটা বিএনপিও জানে। ফলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে, এমন নিশ্চয়তা সরকারসহ দেশে-বিদেশের প্রভাবশালী মহলের কাছে চাইতে পারে বিএনপি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত হওয়ার মতো কিছু পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। এমনকি পর্দার অন্তরালে রাজনৈতিক সংলাপের সম্ভাবনা নিয়েও সরকারি দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা আছে। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়া উপায় ছিল না বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। কারণ দলটি ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল। গত নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, তাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। এছাড়া আওয়ামী লীগের অধীনে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, এটাও প্রমাণ করার তাগিদ ছিল বিএনপির। তবে এখন প্রেক্ষাপট পাল্টেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করলেও নিবন্ধন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিএনপিকে ভোটে আনতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে, এমন দেশি-বিদেশি মহলকেও যুক্ত করার চেষ্টা হতে পারে। ২০১৮ সালের মতো আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি যদি বৃহত্তর কোনো জোটের উদ্যোগ নেয়, তাতে সরকার বা আওয়ামী লীগ বাধা সৃষ্টি করবে না। এরপরও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ভোট বর্জনের দিকে গেলে বিএনপিকে ভেঙে একটা অংশকে নির্বাচনে আনার কৌশল বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে পারে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশের বাস্তবতায় রাজনৈতিক দল ভাঙা খুব কঠিন কাজ নয়।তবে শেষ পর্যন্ত কী হবে তা আরো কিছু ঘটনার ওপর নির্ভর করবে। সরকারি ও বিরোধী দল উভয় দিকেই কিছু বাস্তব সমস্যা আছে। আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায় থাকায় দলটি এখন জোর যার নিয়ন্ত্রণ তার- এই স্টাইলে চলছে চলছে বলে অনেকেই মনে করেন। দলটির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতারা জড়িয়ে গেছেন নিজস্ব বলয় গড়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতায়। দলের সিনিয়র নেতাদের নামে প্রকাশ্যে বিষোদগার, নেতাকর্মীদের সভার মধ্যে মারধর কিংবা ক্ষমতার দম্ভ প্রকাশ নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলের রীতিনীতি, আদর্শ, শিষ্টাচারের বিষয়গুলো এখন অমান্য করা হয়। নিজস্ব বলয়ের স্বার্থে দুর্দিনের ত্যাগী কর্মীটিকেও ছুড়ে ফেলতে দ্বিধা করেন না অনেকেই। প্রকাশ্য সভায় দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশ্যেও তীর্যক মন্তব্য ছোড়েন জেলা পর্যায়ের নেতারা। যে কারণে চেইন অব কমান্ডের অবস্থাও নাজুক। কার্যনির্বাহী কমিটির সভায়ও এ প্রসঙ্গটি আলোচিত হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। দলের সভাপতি বলেছেন, বড় দলের সব চাওয়া পূরণ না-ও হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দলের নেতাদের এমন কিছু করা যাবে না যা নিয়ে মানুষের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। আবার বিএনপিও রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নড়েচড়ে অবস্থায়ই আছে। জামায়াত ইস্যুতে ঝুলে আছে বিএনপির বৃহত্তর জোট গঠন প্রক্রিয়া। এছাড়া নির্দলীয় সরকার নাকি জাতীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলন- তা নিয়েও বিভক্তি আছে তাদের মধ্যে। সভা-সমাবেশে বিএনপির নেতারা সরকারবিরোধী দলগুলোকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের কথা বললেও জোট গঠন প্রক্রিয়া মুখ থুবড়ে পড়েছে নানা ইস্যুতে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ কেউ শীর্ষ নেতাদের অজ্ঞাতে নানা ধরনের হটকারী তৎপরতায়ও জড়িয়ে পড়ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির মূল নেতৃত্বকে বাদ দিয়ে দলে এবং জোটে বিভক্তি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এতে নানা কারণে ক্ষুব্ধ ও হতাশ নেতাদের যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তাদের নানা টোপ দেয়া হচ্ছে। দল ও জোটের এমন অন্তত ৪০ জন নেতার সঙ্গে বিভিন্ন সময় দেশে-বিদেশে বৈঠক হয় এই মহলের সঙ্গে। ২০১৯ সাল থেকে ওই তৎপরতা শুরু হয়। বিএনপিতে নেতৃত্বের সংকট আছে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের যে যৌথ কমান্ড তা বাস্তব কারণেই এখন শিথিল। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মানুষের আস্থাভাজন একজন নেতার মুখ সামনে থাকা জরুরি। সেই মুখ উপস্থিত করতে না পারায় বিএনপির দুর্বলতা প্রকট হয়ে ধরা পড়ে।

অন্যদিকে দলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের নেতাদের ভরসা দিয়ে বলেছেন, ‘ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সরকারের বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে সব সময় ষড়যন্ত্র হয়। ষড়যন্ত্র মোকাবিলার শক্তি ও সামর্থ্য সরকারের আছে।’

লেখক: বিভুরঞ্জন সরকার – জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ

ebarta24.com © All rights reserved. 2021